,

লাগামহীন ইবির বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত

ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি)‘র লাগামহীন বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ও আইন বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত। মন্দির ভাঙ্গা, দেশিয় অস্ত্র সরবরাহ, ক্যাম্পাসে ত্রাস সৃষ্টি করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছ থেকে চাঁদা দাবী কার, ইভটিজিং, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে দলীয়করণ সহ ডজন খানিক অভিযোগ বহিষ্কৃত এই নেতার বিরুদ্ধে।

কে এই আরাফাত? এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে জানা যায় মন্দির ভাঙ্গার অভিযোগে ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কৃত হন। যার মাসুল দিতে হয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক পদ খুইয়ে। যে বহিস্কার আদেশ এখনও প্রত্যাহার হয় নি।
তৎকালীন সময়ে মন্দির ভাঙ্গার দায়ে সাবেক কমিটির সহ-সভাপতি বিপ্লব কর্মকার শিক্ষক ছাত্র-সবাইকে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে আরাফাতকে বহিস্কৃত করতে বাধ্য করেন।

যেমনটি বলছিলেন তৎকালীন সময়ে আন্দোলনে আহত একজন কর্মী ‘আরাফাত একজন সন্ত্রাস। যার হাত থেকে ধর্মীয় পবিত্র স্থান রেহায় পায় না, সে কিভাবে এখন পর্যন্ত ক্যাম্পাসে রাজনীতি করতে পারে। আমার বোধগোম্য হয় না।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, আরাফাতের চাচাতো ভাই বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম। হালিমের ছত্রছায়য় ক্যাম্পাসে রাজনীতি করে চলেছে।
যেমনটি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একজন কর্মী বলেন, ‘জুয়েল রানা হালিম ভাই একজন ভাল মানুষ। তার কারণ ভালমানসিকতার সুযোগ নিয়ে মন্দির ভাঙ্গা, কাম্পাসে ত্রাস, অরাজগতা, দেশিয় অস্ত্র সরবরাহ সহ সকল প্রকার অনিয়মের অভিযোগ এই আরাফাতের বিরুদ্ধে । তার পরেও হালিম ভাই কেন তাকে রাজনীতিতে রাখবে এটা আমার বোধগম্য হয় না।”

ছাত্রলীগের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগ তাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিচ্ছে না । তার কারণ এই আরাফাত! আরাফাতের বহিস্কারাদেশ না উঠা পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি না দেওয়ার জন্য বদ্ধ পরিকর সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম।

জেলা ছাত্রকল্যান সূত্রে জানা যায়, আরাফাতের পছন্দ মত দলীয় কর্মী দিয়ে জেলা ছাত্রকল্যান সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গঠন করেছে। তার নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল জেলা ছাত্রকল্যান পরিচালিত হয় ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮টি নিবন্ধিত জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাথে নিয়ে সন্ধায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেস্ট রুমে আলোচনায় বসে। সেখানে সেচ্ছাসেবী সংগঠন নবীন শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুবিধার নামে দলীয় এজান্ডা বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচানা করা হয় বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সাথে কথা বললে তারা বিষয়টির ব্যাপারে ব্যাপক উদ্দেক প্রকাশ করেছে।

Print Friendly, PDF & Email

© ARTEEBEE Inc. 2016 ‐ 2018 Version: 20180213t091722

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *