বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন



ভালুকায় পাচারের সময় গজারী কাঠ আটক

ভালুকায় পাচারের সময় গজারী কাঠ আটক



আরিফুল ইসলাম আরিফ, ভালুকা প্রতিনিধি : ভালুকার হবিরবাড়ী রেঞ্জের কাদিগড় বিটের গজারি (ভালুকায়) পাচারের সময় গজারী কাঠ আটক। ভালুকার সরকারী বন থেকে কাটা পাচারের উদ্দেশ্যে ফেলে রাখা প্রায় ১০০টি গজারী গাছ এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক করেছে স্থানীয় বন প্রহরীরা। খবর পেয়ে ভালুকার হবিরবাড়ী রেঞ্জের কাদিগড় বিটের অন্তরগত তামাট পশ্চিমপাড়া গ্রামে মুচি বাড়ীর কাছে হালিম মোল্লার চালা ও আশপাশে প্রায় ৬ টি স্থানে আলাদা ষ্টেক দেয়া কাটা গজারী গাছ পাতা ও জিংলা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় পরে থাকতে দেখা যায়। এ সময় অতুল নামের একজন সহ কাদিগড় বিটের ৩ জন বন প্রহরীকে পার্শ্ববতী একটি আকাশমণি বাগানে কতিপয় লোকের সাথে আলাপ চারিতায় পাওয়া যায়। সাংবাদিকের উপস্থিতি টেরপেয়ে একটি কালো প্রাইভেট কার নিয়ে কয়েকজন ব্যাক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে এলাকার লোক জনদের কাছ থেকে জানাযায় পার্শ্ববর্তী সখিপুর উপজেলার জনৈক আলামীন যিনি কালো রংয়ের প্রাইভেট কারটি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন কাঠগুলি মুলত তিনিই কিনেছেন কারো কাছ থেকে। এলাকাবাসী সূত্রে জানায় বন বিভাগের চোখে ধুলো দিয়ে সরকারী বাগান থেকে চুরি করা গজারী কাঠ দীর্ঘদিন যাবৎ আলামীন ট্রাক ভরে কিনে নিয়ে ব্যবসা করছেন। এলাকা বাসী জানায় কিছুদিন পূর্বে ট্রাকভর্তি গজারী কাঠ সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা আলামীন ধরা পরে।ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বন থেকে গজারী গাছ কেটে বন সাবার করে ফেলেছে কাঠ চুরেরা। আশ পাশের লোকজন জানায় তামাট গ্রামের মালেক মোল্লার কাজের লোক জিলাল উদ্দীন বৃহস্পতিবার দিন বাঁশ তলায় প্রায় ৪০টি কাটা গজারী গাছ রাখে। এর আগেও জিলাল পর্যায় ক্রমে কাঠগুলি ওই স্থানে এখানে সেখানে জমা করে রাখেন। দু’এক দিনের মধ্যে আলামীন ট্রাক বোঝাই করে গাছগুলি নিয়ে যেতো। এ ব্যাপারে কাদিগড় বিট কর্মকর্তা আবু তাহেরের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ছুটিতে রয়েছেন। হবিরবাড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের ফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান কাদিগড় বীটের বন প্রহরীরা ঘটনা স্থলে রয়েছে কাঠগুলি গাড়ীতে উঠিয়ে কাদিগড় বিট অফিসে নেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। ঘটনা স্থলে থাকা বন প্রহরীরা ৯০ টি গাছের কথা স্বীকার করেছেন তবে কেবাকারা গাছগুলি কেটেছেন এমনকি কোথা থেকে কেটেছেন তারা জানেননা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রামবাসী জানান বৃহস্পতিবার এখানে কিছু কাঠ রাখলেও দীর্ঘদিন যাবৎ পর্যায়ক্রমে জিল্লাল এখানে কাঠ রাখছেন। উল্লেখ্য বন এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাত কল বসানো নিষিদ্ধ থাকলেও তামাট ও বাটাজোর বাজারে প্রায় ৮/১০ টি করাত কল দিন রাত বাগান ও গজারী কাঠ চিড়াই করে বন ধ্বংস করে চলেছে।

খবরটি শেয়ার করুন..








© All rights reserved 2018 somoyersangbad24.com
Desing & Developed BY W3Space.net