September 21, 2018, 5:54 pm

শিরোনাম :
চুনারুঘাটে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ দুদকের তদন্ত শুরু, বেরিয়ে আসছে অজানা কাহিনী সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার হবিগঞ্জকে সুশৃংখল জেলায় রূপান্তর করতে সক্ষম হব আইসিবির ৫ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১২ মামলা ‘সরকারের চাপে পদত্যাগ ও নির্বাসিত হতে বাধ্য হয়েছি’ আপত্তি সত্বেও সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কারও মান-অভিমান ভাঙানোর ইচ্ছে নেই: প্রধানমন্ত্রী সাভারে পুলিশ সোর্স নয়নকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙ্গলো সন্ত্রাসীরা শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ প্রতিবন্ধী কোটা রাখতে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ



খালেদার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে কিনা, আদেশ ২০ সেপ্টেম্বর

খালেদার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে কিনা, আদেশ ২০ সেপ্টেম্বর






নিজস্ব প্রতিবেদক : কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিচার কাজ চলবে কি না সে বিষয়ে আদশের জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। এছাড়াও এই মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর জামিন বৃদ্ধি চেয়ে করা আবেদনের বিষয়েও ওই দিন আদেশ দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে  রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত অস্থায়ী ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

এদিনও ‘খালেদা জিয়া আদালতে আসতে অনিচ্ছুক’ মর্মে কারা কর্তৃপক্ষ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে কি না এ বিষয়ে আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবীরা বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারবেন জানিয়ে আদালতে সময় প্রার্থনা করেন।

অন্যদিকে দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে বিচারকাজ এগিয়ে নিতে বাধা নেই বলে শুনানি করেন। এ সময় তিনি আদালতে উপস্থিত দুই আসামি মনিরুল ইসলাম খান ও জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করতে আদালতের কাছে অনুরোধ করেন।

মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, দুই আসামির পক্ষে যদি যুক্তি উপস্থাপন আইনজীবীরা না করেন তবে যুক্তিতর্ক সমাপ্ত ঘোষণা করে মামলাটির রায় ঘোষণা করতে বিচারকের কাছে তিনি অনুরোধ করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন সাক্ষী।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

খবরটি শেয়ার করুন..


Loading…






© All rights reserved 2018 somoyersangbad24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com