রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন



দেশে দেশে যৌন নির্যাতনের শিকার নারীরা

দেশে দেশে যৌন নির্যাতনের শিকার নারীরা



পরেশ চন্দ্র দাস: বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই নারীরা উত্ত্যক্ত বা যৌন হয়রানি ও যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এসব ঘটনা ক্রমে বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ঘটছে এসব ঘটনা।

হোয়াট ওয়ার্কস টু প্রিভেন্ট ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লস গ্লোবাল প্রোগ্রামের পরিচালক র‍্যাচেল জিউকস বলেন, ধর্ষণ হচ্ছে যৌন নির্যাতনের সবচেয়ে গুরুতর ও শেষতম ধাপ। আর এটাই ঘটছে অহরহ। লন্ডন, মুম্বাই, ওয়াশিংটন, লাগোসসহ বিশ্বের নানা দেশে রাস্তাঘাটে নারীরা এই হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ২০১৭ সালে এসে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে বিশ্বের সবখানেই নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীদের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের চিত্র প্রকাশ করেছে সিএনএন। তথ্যভিত্তিক নারীদের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের চিত্র—

এশিয়া

র‍্যাচেল জিউকস বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জনসমাগমস্থলে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হন নারীরা। যেহেতু পথঘাট নারীদের জন্য নিরাপদ নয়, এ কারণে তাঁদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত বন্ধ করে দেয় অনেক পরিবার।

২০১২ সালে নয়াদিল্লিতে বাসে নির্ভয়া গণধর্ষণের ঘটনা পুরো দেশে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিল। ২০১৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল চ্যারিটি অ্যাকশন এইডের এক জরিপে দেখা গেছে, ভারতে ৪৪ শতাংশ নারী জনসমাগমস্থলে উত্ত্যক্ত বা যৌন হয়রানির শিকার হন।

জাতিসংঘের এনটিটি ফর জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড দ্য এমপাওয়ারমেন্ট অব উইমেনের (ইউএন উইমেন) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০ জনে একজন নারী তাঁদের সঙ্গীর দ্বারাই শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

ইউএন উইমেন বলছে, অ্যাকশন এইডের এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে জরিপে অংশ নেওয়া নারীদের ৮৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা জনসমাগমস্থলে অশালীন মন্তব্য শুনেছেন এবং পুরুষেরা যৌন হয়রানি করার সুযোগ খুঁজেছিলেন। অর্ধেকের বেশি নারী গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর অর্ধেকের বেশি নারী তাঁদের সঙ্গীর দ্বারাই শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে প্রতি চারজনে একজন নারী এই হয়রানির শিকার।

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা

হলিউডের প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর সারা বিশ্বে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানির ঘটনাগুলো সামনে চলে আসছে। যেসব নারী ও পুরুষ যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ ‘#মি টু’ দিয়ে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করছেন। এই প্রচারণায় আরব বিশ্বের কথা সেভাবে আসেনি।

ইউএন উইমেন, ইউনিসেফ ও অ্যাকশন এইডের তথ্য অনুযায়ী—
*সারা বিশ্বের প্রায় ৩৫ শতাংশ নারী শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার।
*১২ কোটি নারী ধর্ষণসহ নানাভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার।
*প্রায় ৭৫ কোটি নারী ও মেয়ের ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে গেছে।
*আরব বিশ্বের ৩৭ শতাংশ নারী কোনো না কোনোভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার।
* মিসরসহ আরব বিশ্বের সাতটি অঞ্চলের ৯৯ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার।
*নাইজেরিয়ায় ৪৩ শতাংশ নারী বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছেন।
*দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতি চারজনে একজন নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
*ব্রাজিলে ৮৬ শতাংশ নারী জনসমাগমস্থলে যৌন হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার হন। আর ৮৪ শতাংশ নারী দেশটির পুলিশের দ্বারাই যৌন হয়রানির শিকার।
*পাপুয়া নিউগিনিতে ৯০ শতাংশ নারী গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরব বিশ্বে যেভাবে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটে, সেভাবে কেউ মুখ খোলেননি। চুপ থেকেছেন অনেকেই।

লেবাননে ইনস্টিটিউট ফর উইমেনস স্টাডিজ ইন দ্য আরব ওয়ার্ল্ডের পরিচালক লিনা আবিরাফেহ বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে এসব অঞ্চলের নারীরা যৌন হয়রানি নিয়ে মুখ খুলতে চান না। এ ক্ষেত্রে অনেকে চাকরি হারানোর ভয়ও করেন। আরব বিশ্বে কিছু পরিবার আছে, যেখানে কন্যাসন্তান বিয়ের আগে কুমারীত্ব ধরে রাখতে না পারলে তাঁদের হত্যা পর্যন্ত করা হয়। আরব বিশ্বের দেশগুলোতে অন্য দেশ থেকে আসা নারী ও গৃহকর্মীরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকেন। প্রতিবাদ করার মতো সাহস নেই তাঁদের। আর অভিযোগ জানালেও ভিন দেশে ন্যায়বিচার পাওয়ার সম্ভাবনাও তাঁদের ক্ষীণ।

ইউএন উইমেন বলছে, ২০১৩ সালে তাদের জরিপে অংশ নেওয়া মিসরের ৯৯ শতাংশ নারী কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।

মিসরে অ্যাপভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা হ্যারাসম্যাপ এ নিয়ে সাতটি অঞ্চলের ওপর জরিপ চালিয়েছে। তারা বলছে, কায়রো নারীদের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ এলাকা। জরিপে অংশ নেওয়া ৯৫ শতাংশের বেশি নারী কায়রোতে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

পপুলেশন রেফারেন্স ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানে কোনো ধর্ষক যদি ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে করেন, তাহলে তাঁর অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আরব বিশ্বের আরও আটটি দেশেও কোনো ধর্ষক যদি ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে করেন, তাহলে তাঁর অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে, বলছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

পশ্চিম ও সাব-সাহারা আফ্রিকা
আফ্রিকাতেও নারীরা হয়রানি বিশেষ করে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তানজানিয়ার ৫০ শতাংশেরও বেশি নারী তাঁদের স্বামী বা সঙ্গীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর এই হার ইথিওপিয়ায় ৭১ শতাংশ।

ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, নাইজেরিয়ায় বাল্যবিবাহের হার ৪৩ শতাংশের বেশি। নাইজেরিয়ার ন্যাশনাল পপুলেশন কমিশনের তথ্য, দেশটির ১৮ বছরের কম বয়সী প্রতি ১০ জন কন্যাশিশুর মধ্যে ছয়জন শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

জিম্বাবুয়ের ন্যাশনাল স্ট্যাটেসটিকস এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী—
*জিম্বাবুয়েতে প্রতি পাঁচজনে একজন নারীর প্রথম যৌনতা জোরপূর্বক ঘটেছে।
*রুয়ান্ডা ও জিম্বাবুয়েতে প্রতি তিনজনে একজন নারী তাঁদের সঙ্গীদের দ্বারাই শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
অ্যাকশন এইডের ২০১৫ সালের এক জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮০ শতাংশ নারী স্বজনদের দ্বারাই নানাভাবে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অন্যান্য দেশের তুলনায় নারীদের প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের হার অনেক বেশি। সাউথ আফ্রিকান অর্গানাইজেশন রেপ ক্রাইসিসের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হন। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে দেশটির পুলিশের কাছে ৫৩ হাজারেরও বেশি নারী ধর্ষণের শিকার হয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। এ ছাড়া ধর্ষণের অনেক ঘটনাই প্রকাশ হয় না বলে জানিয়েছেন র‍্যাচেল জিউকস।

এতিম শিশুদের সহায়তায় গঠিত সংস্থা সান্ড্রা জোনস সেন্টারের সহপ্রতিষ্ঠাতা ডেব্বি ব্রেনকস বলেন, জিম্বাবুয়েতে চরম দারিদ্র্যের কারণে কিশোরী মেয়েদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। এ ছাড়া অর্থের বিনিময়ে কিশোরী মেয়েদের বিয়েও দিয়ে দেয় অনেক পরিবার। দেশটিতে মেয়েরা যৌন নির্যাতনের দিক দিয়ে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

পশ্চিমা দেশগুলোতেও নারীরা যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। বিশেষ করে ক্ষমতাধর পুরুষদের কাছে অধস্তন নারীরাই বেশি এই নির্যাতনের শিকার হন। অলাভজনক সংস্থা স্টপ স্ট্রিট হ্যারাসমেন্টের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৫ শতাংশ নারী রাস্তায় হয়রানির শিকার হন, ২৩ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার আর ৩৭ শতাংশ নারী রাতে কাছাকাছি স্থান থেকে হেঁটে বাসায় ফেরা নিরাপদ মনে করেন না।

র‍্যাচেল জিউকস বলেন, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে উত্তর আমেরিকায় যৌন হয়রানি বা নির্যাতনের হার অনেক কম। ধর্ষণের ঘটনাও অনেক কম ঘটে। আর কানাডায় অভিসারে গিয়ে সঙ্গী দ্বারাই নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়।

সেক্স অ্যাসল্ট কানাডা ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ যৌন নির্যাতনের ঘটনা নারীদের নিজের বাসাতেই ঘটে। আর অভিসারে গিয়ে সঙ্গীর দ্বারা ধর্ষণের মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ অভিযোগ যায় পুলিশের কাছে।

ইউরোপ

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর ফান্ডামেন্টাল রাইটসের ২০১২ সালের জরিপে দেখা গেছে, ইউরোপের দেশগুলোতে নারীদের যৌন নির্যাতনের হার অনেক বেশি। ডেনমার্কে এই হার সবচেয়ে বেশি। দেশটিতে ৫২ শতাংশ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার। স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় নারীরা বেশি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। আর লাটভিয়া ও যুক্তরাজ্যে সঙ্গীদের দ্বারাই নারীরা সবচেয়ে বেশি যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

স্টপ স্ট্রিট হ্যারাসমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, লন্ডনে ২০১২ সালে এর আগের বছরের চেয়ে ৪০ শতাংশের বেশি নারী রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর ৩৫ শতাংশ নারী অপ্রত্যাশিতভাবে স্পর্শকাতর স্থানে অপরিচিত পুরুষের হাত দেওয়ার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

লাতিন আমেরিকা

এশিয়ার মতো লাতিন আমেরিকাতেও নারী নির্যাতনের প্রায় একই রূপ। মেক্সিকোতে ইউএন উইমেনস সেফ সিটিস প্রোগ্রামের সমন্বয়ক ইয়েলিজ ওসমান বলেন, নারীদের যৌন হয়রানি বা নির্যাতন এখানে স্বাভাবিক ঘটনা। নারীরা অভিযোগ করেন না, পথচারীরা দেখেও এগিয়ে আসেন না আর অভিযোগ পেলেও পুলিশ তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখে না।

স্টপ স্ট্রিট হ্যারাসমেন্ট ও সেক্স অ্যাসল্ট কানাডার তথ্য অনুযায়ী—
*যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৪ সালে ৬৫ শতাংশ নারী রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।
*উত্তর আমেরিকায় প্রতি চারজনে একজন নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হন।
*যুক্তরাজ্যে ২০১৬ সালে ৬৪ শতাংশ নারী জনসমাগমস্থলে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন।
ব্রাজিলে অ্যাকশন এইডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটির ৮৬ শতাংশ নারী জনসমাগমস্থলেই যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, ৮৪ শতাংশ নারী পুলিশের দ্বারাই যৌন হয়রানির শিকার।

ইয়েলিজ ওসমান বলেন, দারিদ্র্য, গণপরিবহনে ভিড়, অতিরিক্ত কাজ শেষে দেরিতে বাড়ি ফেরা, শিক্ষার অভাব ও সচেতনতার অভাবের কারণেই মেক্সিকোতে নারীদের যৌন হয়রানির ঘটনা অনেক বেশি। প্রতি ১০ জনে ৮ থেকে ৯ জন নারী এই হয়রানির শিকার হন।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যাটেসটিকস অ্যান্ড জিওগ্রাফির এক জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেক্সিকো শহরে ৯৬ শতাংশ নারী জনসমাগমস্থলে যৌন নির্যাতনের শিকার হন। আর ৫৮ শতাংশ নারী অপ্রত্যাশিতভাবে স্পর্শকাতর স্থানে অপরিচিত পুরুষের হাত দেওয়ার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হন।

অস্ট্রেলিয়া ও প্যাসিফিক

অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউটের এক জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির ৮৭ শতাংশ নারী রাস্তায় মৌখিক বা শারীরিকভাবে হয়রানির শিকার হন। আর ৪০ শতাংশ নারী রাতে নিজের পাড়াতেই হাঁটতে নিরাপদ বোধ করেন না।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পাপুয়া নিউগিনিতে ৭৭ শতাংশ নারী বাসে যেতে বা বাসের অপেক্ষায় থেকে কোনো না কোনোভাবে যৌন হয়রানির শিকার হন। আর ফিজিতে ৬৪ শতাংশ নারী সঙ্গীদের দ্বারাই যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

র‍্যাচেল জিউকস বলেন, পাপুয়া নিউগিনিতে নারীরা অপরিচিত পুরুষদের হাতেই বেশি ধর্ষণের শিকার হন। দারিদ্র্য ও শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতার কারণেই এমন ঘটছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিকভাবে নারীদের যৌন হয়রানি বা নির্যাতনের মতো ঘটনা প্রতিরোধে এগিয়ে আসার সময় হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..








© All rights reserved 2018 somoyersangbad24.com

Desing & Developed BY W3Space.net