বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৪:১১ অপরাহ্ন



কুষ্টিয়ায় বিনা ধান-১৭ যখন কৃষকের আশার আলো

কুষ্টিয়ায় বিনা ধান-১৭ যখন কৃষকের আশার আলো



রাজ্জাক মাহমুদ রাজ, কুষ্টিয়া; আমন মৌসুমে আগামজাতের ‘বিনা ধান-১৭’ কৃষকদের মধ্যে আশার আলো জাগিয়েছে। স্বল্পমেয়াদি, খরাসহিষ্ণু হওয়ায় এ জাতের ধান চাষ লাভজনক বলে জানিয়েছে কৃষক। প্রতি একরে ফলন আসে ৬০ থেকে ৭০ মণ। বিনা ধান-১৭’র প্রধান বৈশিষ্ট্য এ ধানে সার সেচ কম লাগে। আমনের অন্যান্য জাতের চেয়ে ফলন পেতে সময়ও লাগে কম।

পানি কম লাগার কারণে একে গ্রিণ সুপার রাইস নামেও অভিহিত করেছেন অনেকে। বিনা ধান-১৭ স্বল্প জীবনকালীন হওয়ায় ধান কাটার পর ওই একই জমিতে কৃষক সরিষা কিংবা আলু চাষ করে। পরে জমি তৈরি করে আবার লাগানো হবে বোরো ধানের চারা। কুষ্টিয়ার ইবি থানার মহিষাডাঙ্গা এলাকায় স্থানীয় ধান চাষি উজ্জল খানের এক একর জমির প্রদর্শনী প্লটে বিনা ধান-১৭ কেটে শুকানো পর ৬০ মণ ফলন পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন।

বিনা উদ্ভাবিত স্বল্প মেয়াদী আমন ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত বিনাধান-১৭এর প্রচার ও সম্প্রসারনের লক্ষে কুষ্টিয়ার ইবি থানার মহিষাডাঙ্গা গ্রামের শতাধিক কৃষক-কৃষাণীর উপস্থিতিতে আলোচনা সভায় সভাপত্বিত করেন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) সুশান চৌহান, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মাছুদ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কনিষ্ঠ পরিক্ষন কর্মকর্তা মৃনাল কুমার শীল, সহকারী বৈজ্ঞানিক মুশফিকুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহারুজ্জামান, আসারুল হক,সাইদুর রহমান,কৃষক আলী আযম খান, উজ্জল হোসেন প্রমূখ। আয়োজনে বাংলাদেশ পরামাণু কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট(বিনা) উপকেন্দ্র মাগুরা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,কুষ্টিয়া।

খবরটি শেয়ার করুন..








© All rights reserved 2018 somoyersangbad24.com
Desing & Developed BY W3Space.net