রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন



গল্প গ্রন্থ “মেঘের দেশে নীল পরী

গল্প গ্রন্থ “মেঘের দেশে নীল পরী



আমার তৃতীয় একক গ্রন্থ ও প্রথম ” থাকছে আগামী অমর একুশে গ্রন্থ মেলা ২০১৯ এ। এ গ্রন্থটিতে স্হান পেয়েছে ২২ টি গল্প। যা পাঠকের হৃদয়কে জয় করে নিবে বলে আশা রাখি।মুক্তিযুদ্ধের ও মানব জীবনে ঘটে যাওয়া নানা দিকের সমস্যা ও সমাজের মানুষের দৃষ্টিভংগী ভুক্তভোগীর অবস্থা ও করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করার চেষ্টার কোন কমতি ছিলোনা গ্রন্থটিতে। আশা করি মেঘের দেশে নীল পরী পাঠকের প্রত্যাশা পুরনে প্রতিটি পাঠকের পছন্দের তালিকায় স্হান করে নিবে………জামাল উদ্দিন জীবন।
বাস্তব জীবনের প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে লেখা একটু কষ্টকর। বাস্তবকে লেখার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার সাহস করেছেন জামাল উদ্দিন জীবন। মোট আঠারোটি গল্প নিয়ে এবার তিনি পাঠকের সামনে হাজির হয়েছেন তার গল্পগ্রন্থ “মেঘের দেশে নীল পরী “।
যদিও নামটি পড়লে প্রথমে মনে হবে রূপকথার কোনো প্রেমকাহিনী। কিন্তু পাঠক বইটি পড়া শুরু করলে অনুভব করবে যে, এটি তো আমার কাহিনী। এ আমার দেশের ইতিহাস। জি, পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলছি গল্পগ্রন্থের প্রথম গল্পটি শুরু হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে। লেখা রয়েছে সেখানে একজন বীরাঙ্গনা কিভাবে সমাজে স্বীকৃতি পায় সে কথা।
রয়েছে প্রেমের পরিপূর্ণতার কথা, ব্যর্থতার কথা, বন্ধু মহলের কথা। একটি শিশুর নতুন জামা কিনে দেয়ার আকুতির কথা, কি ভাবে সংসারে আবার স্বামী ফিরে এসে স্বচ্ছলতায় দিন কাটায় সে কথা।
রয়েছে বই প্রকাশ করতে মানুষের যে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সে কথা। লেখক হতে গেলে প্রকাশকের সহযোগিতা লাগবেই। কোনো কোনো প্রকাশক সেই সুযোগটা লুফে নেয়।
জামাল উদ্দিন জীবন চেষ্টা করেছেন চলমান জীবনের বেশিরভাগ ঘটনা গল্পের মাধ্যমে প্রকাশ করতে। একটি গ্রন্থে তা সম্ভব নয়। আমরা আশা করবো আগামিতে তিনি এমন বাস্তবধর্মী গল্প আরো শক্তিশালী ভাষায় এবং শব্দগঠনে আরো আধুনিক হয়ে আমাদের উপহার দিবেন।
আবেগ ও ভাবপূর্ণ , ইতিহাসপ্রসিদ্ধ লেখা নিয়ে তিনি লিখেছেন “মেঘের দেশে নীল পরী “।
প্রথম গল্পগ্রন্থ হিসেবে মেঘের দেশে নীল পরী তে ১৮টি ভিন্নরকম গল্প পাঠকের বই পড়ার আত্মতৃপ্তি নিয়ে আসবে বলে আমি আশাবাদী। শেষ হয়েও হইল না শেষ,ছোট গল্পের এই মুলনীতি অনুযায়ী এই গল্পগুলোর রেশ পাঠকমনে অম্লান হয়ে থাকুক।লেখকের এর আগের দুটি বই ” ভালোবাসার স্মৃতি” ও “বন্ধু তোমাকে জানাই বিদায়” পড়ে পাঠক যেমন আনন্দ পেয়েছে আশা করি গল্প গ্রন্থটি প্রড়েও পাঠক নিরাশ হবে না।
তার গ্রন্থটি পাঠে কিঞ্চিত হলেও পাঠক আনন্দ পাবেন।এতেই গল্পকারের সার্থকতা।
তার বইটির সফলতা কামনা করছি।
সাঈদা নাঈম
কবি, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, বাংলাদেশ নারী লেখক সোসাইটি।

খবরটি শেয়ার করুন..








© All rights reserved 2018 somoyersangbad24.com
Desing & Developed BY W3Space.net