বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯, ১০:৩০ অপরাহ্ন



আপনাদের একটু সুদৃষ্টিই পারে, ফিরিয়ে দিতে একটি জীবন!

আপনাদের একটু সুদৃষ্টিই পারে, ফিরিয়ে দিতে একটি জীবন!



আপনাদের একটু সুদৃষ্টি ই পারে, ফিরিয়ে দিতে একটি জীবন। ছেলেটির নাম রাব্বি।বয়স ১২ বছর।বাসা নারায়নগঞ্জ এর খানপুরে।বাবা মো: আলমগীর। দুর্ভাগ্যবশত তার হাত এবং কোমর এর নিচ থেকে অচল।

ছেলেটির মা নেই। গত মে মাসে নদীতে গোসল করতে গেলে কাচের টুকরায় ডান পা টি কেটে যায় ছেলেটির।তখন নিকটস্থ খানপুর হাসপাতাল থেকে এ.টি.এস দেয়া হলে ও পরবর্তীতে কাঁটা স্থানে ঘা হয়ে যায়।টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে না পারায় সেই ঘা এর পয়জন তার পায়ের অন্য স্থানে লাগার ফলে সেখানে ও ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

এবং পাশা পাশি মেরুদন্ডে ব্যাথা অনুভূত হয়। কিছু দিন পর নারায়ণগঞ্জের কিছু কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়।এবং তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এ ভর্তি করা হয়।কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষার পর তার মেরুদণ্ডের নিচের দিকে টিউমার ধরা পরে।এবংডাক্তার শীঘ্রই পায়ের অপরেশন করার কথা বলেন।

আরো বলেন, অপরেশন করতে বিলম্ব করতে থাকলে তার পা টি কেটে বাদ দিতে হতে পারে। তখন তাদের কে ওই সাহায্য কারী দল ১৫দিনের সময় চেয়ে নিতে বলেন। ছেলেটি কে ১৫ দিনের কথা বলে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১মাস অতিবাহিত হলেও,সাহায্য করতে চাওয়া কারো সাথে কোন রকম যোগাযোগ সম্ভব হয়না।বরং যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, ছেলেটির বাবা মো: আলমগীর কে অপমানিত হতে হয়। অবশেষে,টাকার অভাবে চিকিৎসা ছাড়াই পুনরায় ছেলেটিকে বাসায় ফিরিয়ে আনা হয়। ৭মাস অতিবাহিত হওয়ার পর ও তার বাবার পক্ষে ছেলের চিকিৎসা করানো সম্ভব হয় নি।

ফলে ইতোমধ্যে ছেলের পা টি বাকাঁ হয়ে গেছে।চিকিৎসা করতে আরো বিলম্ব হলে এবার ছেলেটির পা কেটে বাদ দিত হবে।পাশাপাশি ছেলেটির মেরুদণ্ডের টিউমারটি ও খারাপ আকার ধারন করেছে।আর তাই জরুরী ভিত্তিতে টিউমার ও পায়ের অপরেশন করা দরকর। তিন ছেলে কে নিয়ে অতি কষ্টে কোনোরকম খেয়ে পরে বেচেঁ আছেন বলে জানান মো:আলমগীর।পঙ্গু বাবার কাছে সন্তানের চিকিৎসা করানোর মত কোন উপায় নেই।তাই ছেলেটির বাবা এবং আমারা বিডি ই এফ পরিবার সকলের নিকট সাহায্য প্রার্থী। আসুন আমরা সবাই মিলে এই ছোট্ট ছেলেটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করে ছেলেটিকে পঙ্গুত্ব থেকে রক্ষা করি।

ভালো ভাবে বাচাঁর ব্যবস্থা করে দেয়ার চেষ্টা করি।যদি কোন হৃদয় বান ব্যক্তি ছেলেটির চিকিৎসার জন্য সাহায্য করতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন ০১৫৩৩৯৫৭৬৮৩ এই নাম্বারে। আসুন আমরা যে যা পারি তাই দিয়ে ছেলেটির দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।

আহ্বানে: বিডি এভারগ্রীন ফাউন্ডেশন। A hand with Affection, BD EverGreen Foundation. বি.দ্র: অনেকটা সময় অতিবাহিত হওয়ায়,পুনরায় পরীক্ষাগুলো আবার করতে হবে। আর তাই কি পরিমান আর্থিক সাহায্যের দরকার, তা এখনি বলা সম্ভব হচ্ছে না। আপাদত,পরীক্ষা গুলো করতে মিনিমাম ২০০০০ টাকা দরকার।

খবরটি শেয়ার করুন..








© All rights reserved 2018 somoyersangbad24.com
Desing & Developed BY W3Space.net